20 C
Dhaka,BD
January 27, 2023
Uttorbongo
অর্থনীতি বাংলাদেশ

গজারিয়ায় বিশ্বমানের প্রসাধনী কারখানা

রিমার্ক এইচবি প্রসাধনী ছাড়াও স্কিন কেয়ার বা ত্বক পরিচর্যা, হোম কেয়ার ও পারসোনাল কেয়ারের কয়েক শ পণ্য উৎপাদন করবে। এসব পণ্যের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব উপায়ে পণ্য মোড়কজাতকরণ নিয়েও গবেষণা চালাচ্ছে।

রিমার্ক এইচবি সূত্রে জানা গেছে, মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় যে কারখানা স্থাপনের কাজ চলছে, সেখানে তারা আগামী ২০২৩ সালের গোড়ার দিকে পরীক্ষামূলকভাবে পণ্য উৎপাদন শুরু করবে। আর ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ কারখানাটিতে সক্ষমতার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পরিমাণ উৎপাদন করা হবে। কারখানার সক্ষমতার পুরোটা ব্যবহার করতে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সময় লেগে যাবে। এ কারখানায় বাংলাদেশের আবহাওয়া, মানুষের ত্বকের ধরন ও চাহিদা অনুযায়ী পণ্য তৈরির পাশাপাশি ইউরোপ–আমেরিকায় পণ্য উৎপাদন করে এখানে নিয়ে আসবে রিমার্ক এইচবি।

নতুন এ কারখানায় ৮ থেকে ১০ হাজার লোকের সরাসরি কর্মসংস্থান হবে বলে জানায় রিমার্ক এইচবি। দেশব্যাপী একটি শক্তিশালী সরবরাহ ও বিপণনব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। এ জন্য সারা দেশে ১০ হাজার বিক্রয়কেন্দ্র স্থাপন করবে তারা। ফ্র্যাঞ্চাইজির ভিত্তিতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কাজ করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলে আরও দুই লক্ষাধিক লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তাদের।

রিমার্ক এইচবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আশরাফুল আম্বিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘কসমেটিকসের বাজারে মানসম্মত পণ্য খুবই জরুরি। বাংলাদেশের মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি ঘটেছে। ফলে সময়ের তাগিদেই মানুষ এখন মানসম্মত পণ্যের দিকে ঝুঁকছে। সে তাগিদ থেকেই দেশে আমাদের এ বিনিয়োগ। এখানে ধাপে ধাপে কয়েক হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের লক্ষ্য আছে। আমরা জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত কসমেটিক পৌঁছে দিতে চাই। সাধারণত দাম বেশি হওয়ায় উন্নত মানের কসমেটিকস সাধারণ মানুষ ব্যবহার করতে পারেন না। সাধারণ মানুষের জন্য সেই সুযোগটি নিশ্চিত করতেই রিমার্ক বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন করছে।’

কর্মকর্তারা জানান, প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত পণ্য নিয়ে গবেষণা ও উন্নয়নের কাজটি হবে ইউরোপ ও আমেরিকায়। আর পণ্য উৎপাদিত হবে বাংলাদেশে। তারপর তা দেশি বাজারে বিপণনের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি করা হবে। তবে আমেরিকা, ইউরোপসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশেও পণ্য উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

খাত–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, বাংলাদেশে কসমেটিকসের বাজারের আকার এখন ১০ থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা, যার পুরোটাই বলতে গেলে আমদানিনির্ভর। দেশে ভেজাল ও নকল কসমেটিকসের ছড়াছড়ি তো আছেই। এর আগে কসমেটিক শিল্পে এত বড় বিনিয়োগ আসেনি। এখন প্রয়োজন সঠিক নীতিমালা। নীতিমালা থাকলে নতুন বিনিয়োগ যেমন টেকসই হবে, তেমনি ব্যবসার সম্প্রসারণও হবে দ্রুত। সরকারও প্রত্যাশিত হারে রাজস্ব পাবে।

Related posts

প্রধানমন্ত্রীর সফর বাংলাদেশ-ভারতের বহুমুখী সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে

Asha Mony

ঈদের আগে স্থিতিশীল সবজি-মাছ-মাংস

Asha Mony

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ৩০ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে ডাচ-বাংলার এটিএম বুথ

Asha Mony